News update
  • PM Stresses Education, Health for Nation-Building     |     
  • Australia hold off Bangladesh fightback to seal T20I series     |     
  • Brahmaputra erosion leaves 30 families homeless in Kurigram char     |     
  • Held 30 years after murder: Prime accused in Netrokona jail     |     
  • Govt approves draft of Gambling Prevention Act, 2026     |     

শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মায়ের দুধের বিকল্প নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রোগবালাই 2026-04-24, 8:43am

tyertt43trete-dae3eaaddd24f3725f30f33b577990da1776998585.jpg




শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মায়ের দুধের পুষ্টিগুণের কোনো বিকল্প নেই। শুধু ভিটামিন বা সম্পূরক খাদ্য দিয়ে একটি সুস্থ জাতি গঠন সম্ভব নয়। শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মায়ের দুধের ভূমিকা অনন্য এবং দীর্ঘমেয়াদি। পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধিতে মাঠপর্যায়ে জোর প্রচেষ্টা চালাতে হবে। 

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একটা ভিটামিন বা এক ফাইল ওষুধ খেয়ে জীবন চলে না। কিন্তু মায়ের দুধ এমন একটি প্রাকৃতিক পুষ্টি, যা শিশুর শরীরের গঠন তৈরি করে এবং এর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়।

মন্ত্রী জানান, জন্মের পরপরই শিশুকে শালদুধ খাওয়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান থাকে। 

পুষ্টিকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে মায়ের দুধের বিষয়ে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানিয়ে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ছয় মাস পর্যন্ত শিশুকে শুধু মায়ের দুধ এবং এরপর দুই বছর পর্যন্ত মায়ের দুধের পাশাপাশি পুষ্টিকর সম্পূরক খাবার দেওয়া উচিত।  

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সবকিছু ওষুধ দিয়ে সম্ভব নয়। কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করতে হবে। পুষ্টি মানেই শুধু শরীর নয়, এটি মেধা ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিরও শক্তি।

দেশে সাম্প্রতিক হাম পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অপুষ্টির কারণে শিশুদের মধ্যে জটিলতা বাড়ছে। তাই পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ এবং মায়ের দুধ নিশ্চিত করা জরুরি। 

অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিশুদের সঠিক পুষ্টি নিশ্চিতের পাশাপাশি তাদের জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসেও নজর দিতে হবে। ফাস্টফুড নির্ভরতা কমিয়ে শাকসবজি, মাছ-মাংসসহ সুষম খাদ্য গ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে।  

সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।