News update
  • Bangladesh on The Verge of a Solar Energy Revolution     |     
  • Bangladesh Bank Injects $100 Million Into Forex Market     |     
  • Iran Says Bangladesh Ships Must Follow Hormuz Directives     |     
  • Bangladesh Draft Law Seeks Court Approval Before Arresting Journalists     |     
  • ECNEC Approves 13 Projects, Defers Decisions on Four     |     

মদিনায় ১১ কোটি টন ইউরেনিয়াম ও বিরল খনিজের সন্ধান পেল সৌদি

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক মিডিয়া 2026-09-15, 3:15pm

saudi_thaamb_0-db242cd139a028d9effee3b54cf739041789463718.jpg




সৌদি আরবের মদিনা অঞ্চলের জাবল সাইয়িদ এলাকায় বিপুল পরিমাণ ইউরেনিয়াম ও অতিমূল্যবান বিরল খনিজ উপাদানের খনির সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রাথমিক ভূগর্ভস্থ জরিপ অনুযায়ী, এলাকাটিতে উচ্চ ঘনত্বের ভারী ভূ-উপাদান ও প্রতিশ্রুতিশীল মাত্রার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ প্রায় ১১ কোটি (১১০ মিলিয়ন) টন আকরিক কাঁচামাল রয়েছে। 

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ৭০তম বার্ষিক সাধারণ সম্মেলনে অংশ নিয়ে এ তথ্য ঘোষণা করেন সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী যুবরাজ আব্দুল আজিজ বিন সালমান। খবর আরব নিউজের। 

জাবাল সাইয়িদ এলাকাটি জেদ্দা থেকে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে মদিনা অঞ্চলে অবস্থিত। এটি বিশ্বজুড়ে অন্যতম মূল্যবান বিরল খনিজ ভান্ডার হিসেবে বিবেচিত। 

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জাবাল সাইয়িদ বৈশ্বিক খনিজ সম্পদের তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে। এখানে প্রায় ৫ লাখ ৫২ হাজার টন ডিসপ্রোসিয়াম ও টারবিয়াম জাতীয় ভারী উপাদান এবং ৩ লাখ ৫৫ হাজার টন নিউডিমিয়াম ও প্রাসেওডিমিয়াম জাতীয় হালকা খনিজ রয়েছে। এ ছাড়া একই স্থানে প্রায় ৩১ হাজার টন ইউরেনিয়াম সম্পদের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। 

২০২৫ সালের নভেম্বরে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ওয়াশিংটন সফরের পর থেকে এই খনিজ উত্তোলনের গতি বৃদ্ধি পায়। সফরের পর দুই দেশ গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও সরবরাহ চেইনে সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়। 

চুক্তির আওতায় ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স (পেন্টাগন) সৌদিতে বিরল খনিজ প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট স্থাপনের ৪৯ শতাংশ অর্থায়নে রাজি হয়। বাকি ৫১ শতাংশ মালিকানা ধরে রাখে সৌদি রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাআদেন’ ও মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘এমপি মেটেরিয়ালস’।

এর আগে ২২ জুলাই মার্কিন জ্বালানিসচিব ক্রিস রাইট এবং সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী যুবরাজ আব্দুলআজিজ বিন সালমানের মধ্যে বেসামরিক পারমাণবিক সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বহুবিলিয়ন ডলারের প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্বের সৃষ্টি হয়েছে, যা সৌদিকে নিজস্ব ভূমিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও পরমাণু জ্বালানি চক্র বিকাশের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সির (এপিএ) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে দেশটিতে বিরল খনিজ সন্ধান পাওয়া যায়। এর আনুমানিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০০ বিলিয়ন (১০ হাজার কোটি) ডলার। যা ২০১৮ সালের তুলনায় ৯০ শতাংশ বেশি। নতুন আবিষ্কারগুলো দেশটির অর্থনীতি ও পরমাণু সক্ষমতায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।