News update
  • No scope for money launderers to return to bank boards: BB     |     
  • Six closed jute mills to reopen under pvt management in 6 months     |     
  • Uncertainty over possible US-Iran talks as Trump extends ceasefire     |     
  • Bangladesh eyes broader bilateral engagements with African nations     |     
  • Trump Extends Iran Ceasefire, Seeks Time for Talks     |     

সমতল ও পাহাড়ে কোনো বৈষম্য থাকবে না : পার্বত্য মন্ত্রী

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিবিধ 2026-04-06, 11:35pm

tgdfyrtert-eb65630899f7beeb916fdbc9274542ac1775496905.jpg

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাঙ্গামাটিতে পাঁচ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী মেলার উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। ছবি : বাসস



পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, পাহাড় ও সমতলকে সমভাবে এগিয়ে নেওয়াই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। সমতল ও পাহাড়ে কোনো বৈষম্য থাকবে না। পরস্পরের মধ্যে সম্প্রীতির সম্মিলন করা গেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম এগিয়ে যাবে, সেই সঙ্গে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। 

সোমবার (৬ এপ্রিল) রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাঙ্গামাটিতে পাঁচ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী মেলার উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এসব কথা বলেন। আগামী ১০ এপ্রিল শেষ হবে এ উৎসব।

পার্বত্য মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এখানে বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়কে সঙ্গে নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। পাহাড়ে বিজু উৎসব বৈসাবী উৎসব নামে উদযাপন করা হলেও বর্তমানে এই উৎসব পাহাড়ে বসবাসরত সব সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসবের নামেই উদযাপন করা হচ্ছে।

পার্বত্য মন্ত্রী আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর অন্যতম ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব বিজু, বৈসু, সাংগ্রাই, বিহু, চাংক্রান, বিষু, সাংলান, চাংক্রাই, পাতাও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে।

মন্ত্রী বলেন, বিজু উৎসবের মাধ্যমে পাহাড়ে সব সম্প্রদায়ের মধ্যে মিলনমেলা শুরু হয়। এটা সামাজিক বন্ধনের একটি দৃঢ় সেতু। পাহাড়ের সৌন্দর্য ও আতিথেয়তা সবাইকে মুগ্ধ করে। এখানকার সংস্কৃতিকে ধরে রাখার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে রাঙামাটি সরকারি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণ থেকে একটি র‌্যালি শুরু হয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হবে।

পাঁচ দিনব্যাপী বাংলা নববর্ষ ও বৈসাবী উৎসবে পাহাড়িদের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক উৎসব, খেলাধুলা, পণ্য প্রদর্শনী, নাটক মঞ্চায়নসহ ব্যাপক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বসানো হয়েছে বিভিন্ন স্টল। এদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু, বৈসু ও সাংগ্রাইকে ঘিরে পাহাড়ে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ। রাঙামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলায় পালিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা।

প্রতিবছর চৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষে উৎসবটির আয়োজন করে পাহাড়ি জনগোষ্ঠী। উৎসবকে চাকমারা বিজু, মারমারা সাংগ্রাই, ত্রিপুরারা বৈসুক, তঞ্চঙ্গ্যারা বিষু এবং অহমিয়া জনগোষ্ঠী বিহু নামে পালন করে। ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল তিন দিনব্যাপী মূল উৎসব পালন করা হয় পাহাড়িদের ঘরে ঘরে। মারমাদের ঐতিহ্যবাহী জলকেলি উৎসবের মধ্য দিয়েই পাহাড়ে সমাপ্ত হবে ঐতিহ্যবাহী বিজু উৎসব।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, রাঙামাটি সদর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল একরামুল রাহাত, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক জীতেন চাকমা প্রমুখ।