News update
  • Six closed jute mills to reopen under pvt management in 6 months     |     
  • Uncertainty over possible US-Iran talks as Trump extends ceasefire     |     
  • Bangladesh eyes broader bilateral engagements with African nations     |     
  • Trump Extends Iran Ceasefire, Seeks Time for Talks     |     
  • SSC and Equivalent Exams Begin Nationwide     |     

কুড়িগ্রামে ৩০টি পয়েন্টে ভাঙন, ৬০টি গ্রাম প্লাবিত

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিপর্যয় 2023-06-23, 4:24pm

resize-350x230x0x0-image-228848-1687512011-16d0bc2e6002cb01edce3b53d650c1171687515880.jpg




কুড়িগ্রামের নদ নদীতে উজানের ঢলে ও ভারী বর্ষণে জেলার ৬০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। গত কয়েক দিন ধরে পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার ৩০টি পয়েন্ট শুরু হয়েছে ভাঙন। ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি। রাস্তা ঘাট তলিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে মানুষজন। পানিবন্দি থাকায় জেলা প্রায় ২শ হেক্টর কৃষি ফসল সবজির খেত নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়াও বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে কুড়িগ্রামের সবকটি নদ নদীতে পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুড়িগ্রামের পাটেশ্বরী পয়েন্ট দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ধরলা সেতু পয়েন্টে ৩৯ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৫৩ সেন্টিমিটার কাউনিয়া তিস্তা পয়েন্টের পানি ৮৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মশালের চর এলাকার আলহাজ মিয়া বলেন, ঘরে খাট পর্যন্ত পানি। নৌকায় প্লাস্টিক টাঙিয়ে ঘুমাই। বৃষ্টি এলে ভিজে যাই। এখন পর্যন্ত এ চরে সরকারি-বেসরকারি কোনো সাহায্য পাই নাই।

ওই এলাকার আছিয়া বেগম বলেন, গত মাসে নদী ভাঙনে এ চরে আসছি। নিচু জায়গা হওয়াতে গত ৭ দিন ধরে পানিবন্দি। পানিতে কাজ করতে গিয়ে হাতে ঘা ধরেছে। থাকার কষ্ট, খাওয়ার কষ্ট, কি পরিমাণ কষ্টে আছি বলে বোঝাতে পারব না।

বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবলু মিয়া বলেন, আমার ইউনিয়ন প্রায় দুই হাজার মানুষ পানিবন্দি। বিশেষ করে মশালের চর, ফকিরে হাট, বতুয়াতুলি, মুসার চরের মানুষজন খুবই কষ্টে আছেন। সরকারিভাবে কোনো ত্রাণ দেওয়া না হলেও হতদরিদ্র ও দুঃস্থদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহি প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে জেলার ৬০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। এ ছাড়া জেলার ৩০টি পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে ২৬টি পয়েন্ট জিও ব্যাগ, জিও টিউব ফেলে ভাঙন রোধে কাজ চলছে। বন্যা পূর্বাভাসে এ সপ্তাহে বড় ধরনের বন্যার শঙ্কা নেই বলে জানা গেছে।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকল প্রকার প্রস্তুতি নেওয়া আছে। শুকনো খাবার মজুত রয়েছে। যেখানে যখন প্রয়োজন পড়বে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ইউএনও ও ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ত্রাণ বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি। তথ্য সূত্র আরটিভি নিউজ।