News update
  • 42-Year Rainfall Record Broken as Chattogram Floods     |     
  • Flash Flood Risk Rises as Rivers Swell: FFWC     |     
  • Switzerland Beat Colombia to Reach World Cup Last Eight     |     
  • Argentina beat Egypt 3-2 to reach World Cup quarter-finals     |     
  • Bangladesh Leads South Asia in FDI Growth: UNCTAD     |     

ভারি বর্ষণে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, সাজেকে আটকা ৪৫০ পর্যটক

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিপর্যয় 2026-07-08, 7:13pm

img_20260708_191236-30e0996c64a65542fe152acf7262c00f1783516410.jpg




টানা ভারি বর্ষণে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সড়কের একাধিক অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি, সাজেক ও লংগদুর সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা। এদিকে রাঙ্গামাটির পর্যটন নগরী সাজেকে আটকা পড়েছে ৪৫০ জন পর্যটক।

বুধবার (৮ জুলাই) সকাল থেকে অব্যাহত বৃষ্টিতে দীঘিনালা–সাজেক সড়কের কবাখালী অংশ পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে সাজেক ও বাঘাইছড়ির মধ্যে সবধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

অন্যদিকে, উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের হেডকোয়ার্টার এলাকার সড়কও পানিতে ডুবে যাওয়ায় লংগদুর সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে মেরুং ইউনিয়নের একাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। অনেক বাড়িঘর ও আঙিনায় পানি ঢুকে পড়েছে।

এদিকে, টানা বর্ষণে মাইনী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নদীর পানি বাড়তে থাকায় তীরবর্তী নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আরও পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

উপজেলা প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলার কথা জানানো হয়েছে।

তবে জেলার চেঙ্গী নদী ও আশপাশের ছড়া খালের পানি কিছুটা কমেছে। প্লাবিত কয়েকটি এলাকা থেকে পানি নেমে গেলেও অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে, রাঙ্গামাটির পর্যটন নগরী সাজেকে আটকা পড়েছে সাড়ে চারশ’ পর্যটক। তাদের ইউলিটি বিল দিয়ে থাকা ও বিশেষ ছাড়ে রেস্তোরায় খাবারের ব্যবস্থার কথা জানিয়েছেন কটেজ এন্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ সাজেক এর দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক যুবরাজ।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত। তিনি জানান, পাহাড় ধস ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে ১৩৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। উপদ্রুত এলাকায় শুকনা খাবার সরবরাহসহ যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানিয়েছে তিনি।