News update
  • Bangladesh, EU Push for FTA, Investment Pact Talks     |     
  • Over 1.14cr workers sent to Middle East in 22 years     |     
  • BNP finalizes 36 nominations for women’s seats in Parliament     |     
  • Alarming trans-fat levels in food despite regulations: BFSA      |     
  • BD, EU to sign Partnership Coop Agreement (PCA) Monday     |     

আর্টেমিস-২ মিশনের মাইলফলক: ‘চাঁদের প্রভাব বলয়ে’ প্রবেশ নভোচারীদের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 2026-04-10, 3:53pm

retertwerwergdfg-c08d79d7c6b95b399558349be29cd0d01775814834.jpg




আর্টেমিস–২–এর নভোচারীরা ‘চাঁদের প্রভাব বলয়ে’ প্রবেশ করেছেন। ওরিয়ন মহাকাশযানটি সোমবার রাত ১২টা ৪১ মিনিটে (ইটি) চাঁদের প্রভাব বলয় নামে পরিচিত অঞ্চলটিতে প্রবেশ করে। এ অঞ্চলটিতে প্রবেশ নভোচারীদের ১০ দিনের যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গত বুধবার (১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে শক্তিশালী এস.এল.এস রকেটের পিঠে চেপে মহাকাশে উড়াল দেয় আর্টেমিস-২। ছবি: নাসা

গত বুধবার (১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে শক্তিশালী এস.এল.এস রকেটের পিঠে চেপে মহাকাশে উড়াল দেয় আর্টেমিস-২। ছবি: নাসা

নাসার ফ্লাইট ডিরেক্টর রিক হেনফ্লিং এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘এটি আমাদের মিশনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এখানে সময় চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি মহাকাশযানকে পৃথিবীর তুলনায় বেশি টানে।

‘লুনার স্ফিয়ার অব ইনফ্লুয়েন্স’ বা চাঁদের প্রভাব বলয় কোনো দৃশ্যমান বা বাস্তব সীমা রেখা নয়। বরং, এটি একটি গাণিতিক সীমানা যা নির্দেশ করে যে নভোচারীরা চাঁদের কাছাকাছি অঞ্চলে অবস্থান করছেন।

এই সীমা অতিক্রম করা নাসার জন্য একটি বড় সাফল্য। ১৯৭২ সালের অ্যাপোলো ১৭ অভিযানের পর অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় পর এই প্রথম নভোচারীরা চাঁদের প্রভাব বলয়ে প্রবেশ করলেন।

এর আগে রোববার মহাকাশ থেকে পৃথিবীর হাই-রেজল্যুশন ছবি পাঠিয়েছেন আর্টেমিস-২ মিশনের নভোচারীরা। নাসা নভোচারীদের তোলা প্রথম ছবিগুলো প্রকাশও করেছে। 

মিশনের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান এই নয়নাভিরাম ছবিগুলো তুলেছেন বলে জানিয়েছে নাসা। চাঁদের পথে যাত্রার শেষ ধাপে মহাকাশযানের ইঞ্জিন সফলভাবে প্রজ্বলনের (ইঞ্জিন বার্ন) পর এই দৃশ্যগুলো ক্যামেরাবন্দি করা হয়।

নাসা প্রথম ছবিটির নাম দিয়েছে ‘হ্যালো ওয়ার্ল্ড’। এতে দেখা যাচ্ছে নীল জলরাশির আটলান্টিক মহাসাগর। পৃথিবীর ওপর সূর্যের আলো ঢাকা পড়ায় বায়ুমণ্ডলের একটি পাতলা উজ্জ্বল রেখা ফুটে উঠেছে। একই সঙ্গে পৃথিবীর দুই মেরুতে দেখা যাচ্ছে সবুজ রঙের মেরুজ্যোতি (অরোরা)।

ছবিটিতে পৃথিবীকে কিছুটা উল্টো অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। বাম দিকে পশ্চিম সাহারা মরুভূমি ও আইবেরীয় উপদ্বীপ এবং ডান দিকে দক্ষিণ আমেরিকার পূর্বাংশ দৃশ্যমান। ছবির নিচের দিকে ডান পাশে উজ্জ্বল একটি গ্রহ শনাক্ত করেছে নাসা, যা মূলত শুক্র গ্রহ।

গত বুধবার (১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে শক্তিশালী এস.এল.এস রকেটের পিঠে চেপে মহাকাশে উড়াল দেয় আর্টেমিস-২। অ্যাপোলো মিশন শেষ হওয়ার পর এই প্রথম কোনো মানববাহী মহাকাশযান চাঁদের অভিমুখে যাত্রা এটি।

তথ্যসূত্র: এনবিসি ‍নিউজ