News update
  • 100 CSOs rally against Trump’s trade tactics, urge access to drugs     |     
  • BNP believes in multiparty democracy, not revenge: Moyeen Khan     |     
  • Bangladesh reaffirms commitment to revitalise SAARC process     |     
  • Bangla Academy assures inclusive Ekushey Book Fair From Feb 26     |     
  • 2 former National University VCs face travel ban     |     

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থনীতির শ্বেতপত্র চান অর্থনীতিবিদরা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-02-24, 8:43am

57dc04cfcade194f8ba5e4704128d706a19f32e2c78a6c9f-af9a1f7e8bc12887aadba2c8871441b31771901005.png




হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতির অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের চিত্র তুলে ধরতে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছিল। এরপর দেড় বছর ধরে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম চালানো হয়। এখন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইউনূস সরকারের কাছ থেকে বিএনপি সরকার কী অবস্থায় অর্থনীতি বুঝে নিয়েছে, সেটিও জনগণের সামনে তুলে ধরতে নতুন করে একটি শ্বেতপত্র করা উচিত।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর ওই মাসের শেষ দিকে দেশের অর্থনীতির সার্বিক অবস্থা জানার জন্য একটি শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের এই কমিটি তিন মাস কাজ করে ডিসেম্বরের প্রথম দিনে প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। সেখানে গত দেড় দশকে দুর্বল হয়ে পড়া অর্থনীতির নানা সমস্যা তুলে ধরা হয়।

এরপর অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতি ঘুরে দাঁড় করাতে বিভিন্ন কমিশন ও টাস্কফোর্স গঠন করে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করে। এখন ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, নির্বাচিত বিএনপি সরকার কোন অবস্থায় অর্থনীতি বুঝে নিয়েছে, তা জানাতে নতুন শ্বেতপত্র প্রয়োজন। এতে বোঝা যাবে অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে আগের সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছিল এবং কোথায় ঘাটতি ছিল।

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ) বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের চেষ্টা করেছে। তবে সংশ্লিষ্টদের যথাযথভাবে সম্পৃক্ত না করায় অনেক ক্ষেত্রে বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য ছিল না। সক্ষমতা বাড়াতে পারলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, যোগ্য ব্যক্তিকে সঠিক স্থানে নিয়োগ দিতে হবে।

সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আগের শ্বেতপত্রে তখনকার অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছিল। এখন বাজেট সংশোধন, নতুন বাজেট প্রণয়ন বা পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরুর আগে বর্তমান অর্থনীতির ভিত্তি ও দুর্বলতা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। কোথায় যেতে হবে তা ঠিক করার আগে বর্তমান অবস্থান জানা প্রয়োজন।

অনিয়ম, দুর্নীতি আর লুটপাট বন্ধে শুধু এবারই নয়, প্রতিবার নতুন সরকার গঠনের পরপর অর্থনীতির শ্বেতপত্র তৈরির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়ার পরামর্শ তাদের। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবিরের মতে, প্রতিটি সরকারের মেয়াদ শেষে নতুন সরকার এলে, এমনকি একই দল ক্ষমতায় থাকলেও, একটি নিরপেক্ষ পর্যালোচনা হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, এজন্য স্বাধীন কমিশন বা টাস্কফোর্স গঠন করে শ্বেতপত্র তৈরি করা যেতে পারে। এতে আগের সরকারের কার্যক্রম, কোনো বিতর্ক, দুর্নীতি, অদক্ষতা বা অস্পষ্টতা ছিল কিনা; এসব বিষয় স্পষ্ট হবে। ভালো কাজ হলেও তারও মূল্যায়ন প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর যে চাপ আসবে, তা মোকাবিলা করা অনেক সহজ হবে।