News update
  • Uncertainty over possible US-Iran talks as Trump extends ceasefire     |     
  • Bangladesh eyes broader bilateral engagements with African nations     |     
  • Trump Extends Iran Ceasefire, Seeks Time for Talks     |     
  • SSC and Equivalent Exams Begin Nationwide     |     
  • US, Iran Signal War Readiness as Talks Hang in Balance     |     

ট্রাম্পের শুল্কনীতি অবৈধ ঘোষণায় ঢাকা-ওয়াশিংটন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা!

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-02-22, 8:15am

cbdf18b1f803da224bfdd36b284c1acd24a242380bb54e53-742d4d9da617598c5b1e50062246408a1771726554.png




বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা বাড়তি শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করার পর ঢাকা-ওয়াশিংটন বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে দর কষাকষির সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

গত বছরের এপ্রিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। আগস্টের প্রথম সপ্তাহে তা কার্যকর হয়। তবে সেই শুল্কনীতিকে অবৈধ ঘোষণা করে গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) তা বাতিল করে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট।

এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প জানান, সেকশন ৩৩২ ও বিদ্যমান সেকশন ৩০১-এর আওতায় শুল্ক বহাল থাকবে। পাশাপাশি সেকশন ১২২-এর আওতায় স্বাভাবিক শুল্কের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ করা হবে। অন্যায্য বাণিজ্য কার্যক্রম মোকাবিলায় সেকশন ৩০১-এর অধীনে নতুন তদন্তও চালানো হচ্ছে।

এদিকে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রভাব কমাতে ঢাকা-ওয়াশিংটন একটি চুক্তি সই করে। তবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশ এখন ওই চুক্তির শর্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ পেয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব হাফিজুর রহমান বলেন, বাংলাদেশকে চুক্তিটি নতুন করে আলোচনার মাধ্যমে পুনর্বিবেচনার চেষ্টা করতে হবে। চুক্তিতে শুধু রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ নয়, আরও বেশ কিছু ধারা রয়েছে, যা বাস্তবায়ন করা বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তাই বর্তমান পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য একটি সুযোগ।

রফতানি খাতে চাপের মুখে থাকা পোশাক শিল্প উদ্যোক্তারাও সরকারকে এই সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন। বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ৯ ফেব্রুয়ারির চুক্তিটি একপেশে হয়েছে এবং এতে বাংলাদেশের তেমন কোনো সুবিধা নেই। তাই এটি পুনর্বিবেচনা করা জরুরি।

বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট আগের শুল্ক বাতিল করেছে এবং বাংলাদেশে নতুন সরকার এসেছে; এই দুই প্রেক্ষাপটে চুক্তিটি নতুন করে ভাবার সুযোগ রয়েছে। তাই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাই।

তবে মার্কিন আদালতের রায় আপিলে টিকবে কি না, বা টিকলেও ট্রাম্প প্রশাসন পরবর্তীতে কী সিদ্ধান্ত নেবে; তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে। বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, রেসিপ্রোকাল ট্যারিফের ধারণা থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ভিত্তিতে দেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দ্বিপাক্ষিক চুক্তির শর্ত বাস্তবায়নে তড়িঘড়ি না করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেয়াই হবে বিচক্ষণতা।