News update
  • Why President Shahabuddin resigned from office     |     
  • President Mohammed Shahabuddin Resigns     |     
  • Experts Call for Better Flood Forecasting, Urban Planning     |     
  • Fakhrul Urges Public to Ignore Resignation Rumours     |     
  • President Shahabuddin Set to Resign Today: Agency     |     

যুক্তরাষ্ট্রে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক সুবিধা পেল বাংলাদেশন

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-07-24, 5:35pm

yuytteryretrete-56cdc592eab96f94c1fa5f82408ede101784892952.jpg




যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্যিক শুল্ক ব্যবস্থায় বাংলাদেশ সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কহার পেয়েছে। এর ফলে চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ প্রধান পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা আরও শক্তিশালী হবে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ১৯৭৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড অ্যাক্টের ৩০১ ধারার আওতায় জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের অভিযোগে তদন্ত শেষে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) বিশ্বের ৮৬টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ৬০টি অর্থনীতির জন্য নতুন শুল্কহার ঘোষণা করেছে।

২৩ জুলাই ঘোষিত এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ ওয়াশিংটন সময় রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারার আওতায় পূর্বে আরোপিত অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের পরিবর্তে নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হলো।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর বিদ্যমান মোস্ট ফেভার্ড নেশন (এমএফএন) শুল্কের পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ৮৬টি দেশের মধ্যে মাত্র ১৭টি দেশ সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কস্তরে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশও এ তালিকায় থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকসহ সামগ্রিক রপ্তানি বাজারে দেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান অক্ষুণ্ন থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পোশাক রপ্তানিকারক দেশ চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডকে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্কস্তরে রাখা হয়েছে। ফলে এসব দেশের তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের তুলনামূলক সুবিধা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে, ইউএসটিআর বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য তিন বছর মেয়াদি ট্যারিফ-রেট কোটা (টিআরকিউ) চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে। এ ব্যবস্থা কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও বস্ত্র উপকরণ ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে ৩০১ ধারার অতিরিক্ত শুল্ক মওকুফ করা হতে পারে।

এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা আরও একটি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বস্ত্র উপকরণের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্প্রসারণেও এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাতগুলোর টেকসই প্রবৃদ্ধি, নীতিমালা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ সরকার।