News update
  • PM Pushes Plans for Second Padma, Jamuna Bridges, Barrage     |     
  • Tap grants, local finance; shun loans for energy sovereignty      |     
  • Govt eyes 3,000-4,000MW solar power addition to grid before next summer: PM     |     
  • Dhaka Ranks Fifth Among World’s Most Polluted Cities on Tuesday      |     
  • Protests Disrupt Production at 681 Factories Across Bangladesh     |     

বাংলাদেশিদের জন্য নতুন ভিসা ও কাজের অনুমতি স্থগিত করল লাওস

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক প্রবাস 2026-09-17, 2:57pm

img_20260917_145635-f09dee9f080cbcdc2d47801bc0345ba61789635434.png




বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন কাজের অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট), শ্রমিক আমদানির পরিকল্পনা এবং শ্রম প্রকল্পের অনুমোদন দেশব্যাপী সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ লাওস। লাওসের শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। খবর দ্য লাওশিয়ান টাইমসের।

গত ৯ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অবৈধ প্রবেশ, মানব পাচার, অনুমোদনহীন মধ্যস্বত্বভোগী বা দালাল চক্রের তৎপরতা এবং কর্মীদের দায়ভার গ্রহণে নিয়োগকর্তাদের অনীহা রোধ করতেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া এই স্থগিতাদেশ চলতি ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে। তবে সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নির্দিষ্ট মেয়াদভিত্তিক অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলো এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

নতুন এই আদেশের ফলে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, নিয়োগকর্তা বা শ্রমিক সরবরাহকারী এজেন্সি স্বাধীনভাবে বাংলাদেশি নাগরিকদের আগমন বা নিয়োগের অনুমোদন দিতে পারবে না। একই সঙ্গে চলতি বছর জুড়ে বাংলাদেশিদের জন্য লেবার ভিসা (এলএ-বি২) অনুমোদন প্রদান পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে।

নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর জরিমানাসহ বাধ্যতামূলক দেশে ফেরত পাঠানো এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নিয়ম ভেঙে কোনো নিয়োগকর্তা বা প্রতিষ্ঠান অনুমোদনহীন শ্রমিক নিয়োগ দিলে প্রতি শ্রমিকের জন্য ২৫ লাখ লাওটিয়ান কিপ (প্রায় ১১০ মার্কিন ডলার) জরিমানা গুনতে হবে।

অনুমোদিত স্থান ছাড়া অন্য কর্মস্থলে স্থানান্তরিত হলে প্রতি শ্রমিকের ১ লাখ কিপ জরিমানা ও ৩০ দিনের মধ্যে দেশে ফেরত পাঠানোর বিধান রাখা হয়েছে, যার সম্পূর্ণ খরচ অপরাধী নিয়োগকর্তাকে বহন করতে হবে। পুনরায় একই অপরাধ করলে শাস্তির পরিমাণ তিনগুণ বৃদ্ধি ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অবশ্য বর্তমানে লাওসে কতজন বাংলাদেশি নিয়োজিত আছেন কিংবা এই সিদ্ধান্তের ফলে কোন খাতগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সে বিষয়ে নির্দেশনায় সুনির্দিষ্ট কিছু উল্লেখ করা হয়নি। তবে ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে লাওসে যাওয়া কর্মীরা মূলত নির্মাণ ও ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে বেশি কাজ করে থাকেন।