News update
  • Bangladesh, EU Push for FTA, Investment Pact Talks     |     
  • Over 1.14cr workers sent to Middle East in 22 years     |     
  • BNP finalizes 36 nominations for women’s seats in Parliament     |     
  • Alarming trans-fat levels in food despite regulations: BFSA      |     
  • BD, EU to sign Partnership Coop Agreement (PCA) Monday     |     

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কর্মসংস্থান 2026-04-02, 2:37pm

retretrete-e2bee7deb5585965bf2085334455c4e71775119063.jpg




সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ নিজ অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে অবস্থান করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেবাগ্রহণকারী সাধারণ নাগরিকদের সুবিধা প্রদান, প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা আনয়ন এবং বিভিন্ন আন্তঃদপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে এমন যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে এসব নির্দেশনাসহ বেশকিছু বিষয় অক্ষরে অক্ষরে প্রতিপালনের জন্য জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোসা. তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক নোটিশে এই কঠোর অনুরোধ জানানো হয়।

নোটিশে  উল্লেখ করা হয়, উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ অফিস কক্ষে আবিশ্যিকভাবে অবস্থান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়সহ দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। প্রদত্ত নির্দেশনাসমূহ প্রতিপালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নোটিশে আরও জোর দিয়ে উল্লেখ করা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত মার্চ মাসের ২ এবং গত ৫ তারিখের স্মারকের নির্দেশনা প্রতিপালনসহ নিম্নবর্ণিত নির্দেশনা প্রতিপালনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

নোটিশে জারি করা অন্যান্য জরুরি নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে। দিনের কোনো দাপ্তরিক কর্মসূচি বা মিটিং প্রণয়নের ক্ষেত্রেও উক্ত নির্দিষ্ট সময়সীমা যাতে কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। এর পাশাপাশি সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহারে অত্যন্ত সাশ্রয়ী হতে হবে এবং ঘরের জানালা ও দরজা কিংবা ব্লাইন্ড খোলা রেখে বাইরের প্রাকৃতিক আলো সরাসরি ব্যবহার করতে হবে। অফিস চলাকালীন সময়ে শুধুমাত্র যতটুকু প্রয়োজন ঠিক তত সংখ্যক লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি সচল রাখা যাবে। এয়ার কন্ডিশনার বা এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঘরের তাপমাত্রা সবসময় ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে নির্ধারণ করে রাখতে হবে।

কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের কেউ নিজের অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের সব বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ যাবতীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিজ দায়িত্বে সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। এর বাইরে অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানগুলোতে কোনো প্রকার অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার একবারে বন্ধ করতে হবে। অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব ধরণের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন— লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ রাখা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়া সরকারের বিশেষ নির্দেশনা ব্যতিরেকে সব ধরণের চাকচিক্যময় আলোকসজ্জা পরিহার করতে বলা হয়েছে এবং জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী হতে বলা হয়েছে। নিয়মিতভাবে অফিস কক্ষ, করিডোর, টয়লেট, সিঁড়ি ও সিঁড়ির হাতল ইত্যাদি পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।  উল্লিখিত এসব গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ঠিকমতো প্রতিপালন ও সার্বিক মনিটরিংয়ের জন্য সরকারের সব দপ্তর, সংস্থা ও কার্যালায়কে অবিলম্বে একটি করে ভিজিল্যান্স টিম গঠন করতে হবে।