News update
  • Middle East Conflict Hits Bangladesh Labour Market     |     
  • Millions face growing hunger as Iran conflict fuels food crisis: UN     |     
  • Bus plunges into Padma from pontoon at Daulatdia     |     
  • Tree logging in Bangladesh has fallen in last two years: Study     |     
  • Unsafe Food Kills 1.5 Million Yearly, WHO Warns Report     |     

প্রধান উপদেষ্টার নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হয়েছে: জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রাজনীতি 2025-06-14, 9:07pm

img_20250614_210544-a97fdb4c659c4ec85f698d208ac180281749913665.jpg




একটি দলের প্রতি বিশেষ অনুরাগ প্রকাশ করায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন করেছে বলে মনে করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ। এ ছাড়াও বিদেশে যৌথ প্রেস ব্রিফিং ও বৈঠকের বিষয় সম্পর্কে যৌথ বিবৃতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির ব্যত্যয় বলে মনে করে বিবৃতি দিয়েছে দলটি।

শনিবার (১৪ জুন) জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠক হয়েছে। বৈঠক শেষে এ অভিমত ব্যক্ত করে বিবৃতি প্রকাশ করে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টার অভিমত প্রকাশ করাই সমীচীন ছিল। বৈঠকে নির্বাচন নিয়ে সংশয় নিরসনে প্রধান উপদেষ্টার ভূমিকা জাতির সামনে স্পষ্ট করার আহ্বান জানানো হয়।

১৩ জুন লন্ডনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠককে জামায়াতে ইসলামী খুবই স্বাভাবিক মনে করে জানিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইতোমধ্যে প্রধান উপদেষ্টা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে পৃথক এবং যৌথ বৈঠক করেছেন। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বিগত ৬ জুন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। তার এই ঘোষণার পর লন্ডনে সফরকালে একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিদেশে যৌথ প্রেস ব্রিফিং এবং বৈঠকের বিষয় সম্পর্কে যৌথ বিবৃতি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির ব্যত্যয় বলে আমরা মনে করি।

জামায়াতে ইসলামী মনে করে, সরকার প্রধান হিসেবে কোনও একটি দলের সঙ্গে যৌথ প্রেস ব্রিফিং নৈতিকভাবে কিছুতেই যথার্থ নয়। এতে আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হওয়ার বিষয়ে জনগণের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যেখানে বাংলাদেশে অনেকগুলো রাজনৈতিক দল সক্রিয়ভাবে বিদ্যমান, সেখানে শুধু কোনও একটি দলের সঙ্গে আলাপ করে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সঠিক বলে বিবেচিত হতে পারে না। 

জামায়াত আশা করে—অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ থেকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করবেন এবং বিচার ও সংস্কারের ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নিশ্চিত করবেন।