News update
  • First cruise ship crosses Strait of Hormuz since war began     |     
  • MDBs stress co-op support global stability amid uncertainty     |     
  • PM opens first Hajj flight, visits Ashkona camp     |     
  • River ports asked to hoist cautionary signal No 1     |     
  • Oil prices drop 9% & Wall Street rallies to a record after Iran reopens Hormuz     |     

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত হবে দেশ: অর্থমন্ত্রী

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ব্যবসায় 2026-04-10, 1:57pm

tertwer435-bf8b5f2c9ffc1d8ab2c79ee86e2733561775807859.jpg




২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ আশ্বাস দেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী সরকারের সময় রাজস্ব আদায়ের চেয়ে ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাজেট ঘাটতি ছিল। ব্যয়ের বড় খাত ছিল মেগা প্রকল্পগুলো তাই বিনিয়োগের সুফল পায়নি জনগণ। অর্থনৈতিক দুর্বিতায়ন ও টাকা পাচারের কারণে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল।

তিনি বলেন, গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী সরকার লাগামহীন দুর্নীতি করে অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। টাকার মান প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। ফলে আমদানি ব্যয় বেড়ে মূল্যস্ফীতিকে ত্বরান্বিত করেছে। যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে।

‘বিএনপি সরকার দায়িত্বগ্রহণের ১০ দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল এবং এলএনজির দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। তারপরেও জনগণের কথা মাথায় রেখে ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকার তেলের দাম বাড়ায়নি।’

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রস্তুত।

এর আগে, অধিবেশনের ১২তম দিন বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ৩১টি বিল পাস হয়। বিলগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও মন্ত্রীর পক্ষে প্রতিমন্ত্রী উত্থাপন করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ অবিকল রেখে পাস হওয়া বিলগুলো হচ্ছে—‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন বিল, ২০২৬’; ‘স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) বিল, ২০২৬’।


এ ছাড়া ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা বিল, ২০২৬’; ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন বিল, ২০২৬’; ‘বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন বিল, ২০২৬’; ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ বিল, ২০২৬’; ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘স্থানীয় সরকার সিটি কর্পোরেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি কতৃপক্ষ বিল ২০২৬’; ‘রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; ‘উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা বিল, ২০২৬’; ‘বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন এমেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ ও ‘নেগোশিয়েবল ইনস্টুমেন্টস (সংশোধন) বিল ২০২৬’।


অন্তর্বর্তী সরকরের অধ্যাদেশ অবিকল না রেখে পাস করা বিলগুলোর মধ্যে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫’ রহিত করা ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’ এবং ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫’ রহিত করা সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’ বিল পাস করা হয়।

এ ছাড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিত ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’ পাস করা হয়