News update
  • Biodiversity Targets Lag as UN Warns of a War on Nature     |     
  • 18 railway coaches made in India set to arrive this afternoon     |     
  • 8 BGB platoons deployed in Naogaon to ensure Durga Puja security     |     
  • World Food Day Observed Today Amid Global Hunger Crisis     |     
  • World Lost More Than 7 Million Hectares of Forest in 2025     |     

তরুণীদের সুন্দরী প্রতিযোগিতা বন্ধ করে বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা চালু করল বুরকিনা ফাসো

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিবিধ 2026-10-16, 10:23am

img_20261016_102102-b642833001e346cfd7e7d17d974910fe1792124588.jpg




সুন্দরী প্রতিযোগিতা বন্ধ করে তরুণীদের বিজ্ঞানচর্চায় উৎসাহিত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসো। দেশটিতে সুন্দরী প্রতিযোগিতা স্থগিত করার দুই মাস পর চালু করা হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক জাতীয় প্রতিযোগিতা ‘হাকিলি মুসো’। এতে অংশ নিয়েছেন ৮৪ জন তরুণী। গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নে তাদের দক্ষতা যাচাইয়ের পাশাপাশি সেরা প্রতিযোগীদের দেওয়া হয়েছে পুরস্কার ও বৃত্তি।

২০২৬ সালের জুনে দেশজুড়ে সুন্দরী প্রতিযোগিতা স্থগিত করে বুরকিনা ফাসোর কর্তৃপক্ষ। নতুন নিয়ম চালু না হওয়া পর্যন্ত এসব প্রতিযোগিতা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আফ্রিকা ওয়ার্ল্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির সাংস্কৃতিক পরিচয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও মানবিক মর্যাদা রক্ষার উদ্দেশ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এরপর আগস্টে দেশটির প্রেসিডেন্সির উদ্যোগে চালু হয় ‘হাকিলি মুসো’ নামের বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা। এর লক্ষ্য, বিজ্ঞানে মেধাবী তরুণীদের খুঁজে বের করা, তাদের দক্ষতার স্বীকৃতি দেওয়া এবং উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত জীবনে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করা।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ৮৪ জন তরুণী গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নে নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরেন। সেরা ফল করা প্রতিযোগীদের পুরস্কারের পাশাপাশি শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়, যাতে তারা পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন এবং বিজ্ঞানে নিজেদের দক্ষতা আরও বাড়াতে পারেন।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে। এ সময় তিনি তরুণীদের নিজেদের সামর্থ্যের ওপর আস্থা রাখতে, বিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা নিতে এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত করেন।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিজ্ঞান বিষয়ে নারীদের মেধা ও অর্জনকে জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি গণিত, প্রযুক্তি ও প্রকৌশলের মতো বিষয়ে মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর গুরুত্বও সামনে এসেছে।

তবে শুধু একটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করলেই বিজ্ঞানে নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সব বাধা দূর হবে না। এ ক্ষেত্রে মানসম্মত বিজ্ঞান শিক্ষা, বৃত্তি, দক্ষ শিক্ষক, পরামর্শ এবং উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনে প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।

‘হাকিলি মুসো’ প্রতিযোগিতার দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য নির্ভর করবে শুধু বিজয়ীদের স্বীকৃতি দেওয়ার ওপর নয়, বরং দেশের আরও বেশি তরুণী এমন সুযোগ পাচ্ছেন কি না, তার ওপরও। নিয়মিত বিজ্ঞানচর্চা ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ বাড়ানো গেলে এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বেশি মেয়েকে বিজ্ঞানভিত্তিক পেশায় আসতে অনুপ্রাণিত করতে পারে। সূত্র: পালস ঘানা