
প্রথম ম্যাচে ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল ইরান আর বেলজিয়াম। নকআউটের টিকিট কাটার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল দুই। ম্যাচের শুরু থেকেই চলল আক্রণ-প্রতিআক্রমণ। তবে সোনার হরিণ গোলের খাতা খুলতে পারেনি কোনো দলই।
রোববার (২১ জুন) বাংলাদেশ সময় দিনগত রাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই। বেলজিয়াম-ইরানের এই লড়াই শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়। টানা দুই ম্যাচে ড্র করে দুই দলই এখন অনিশ্চিয়তায় আছে নকআউটে ওঠার।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে। মাঝমাঠে বল দখলের লড়াই। দ্রুত গতির আক্রমণ এবং চাপের খেলায় ম্যাচটি বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে ফিনিশিংয়ে দুর্বলতার কারণে গোলের দেখা মেলেনি।
প্রথমার্ধে ইরান সবচেয়ে বড় সুযোগটি পায়। অধিনায়ক মেহদি তারেমি বল জালে পাঠালেও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সিদ্ধান্তে সেটি অফসাইড ধরা পড়ে। ফলে গোল বাতিল হয়। এতে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করে ইরান। অন্যদিকে বেলজিয়ামও কয়েকটি ভালো আক্রমণ তৈরি করলেও ইরানের সংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধে বেলজিয়াম আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এবং চাপ বাড়ায়। তারা একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে ইরানের রক্ষণকে ব্যস্ত রাখে। তবে ইরানের গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ অসাধারণ কয়েকটি সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। বিশেষ করে খুব কাছ থেকে নেওয়া একটি শট ঠেকিয়ে তিনি ম্যাচের অন্যতম সেরা মুহূর্ত উপহার দেন।
ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে বেলজিয়াম বড় ধাক্কা খায়। নাথান এনগয় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে তারা ১০ জনের দলে পরিণত হয়। এরপরও বেলজিয়াম আক্রমণ থামায়নি। তবে ইরানের দৃঢ় রক্ষণ এবং গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সে তারা গোলের দেখা পায়নি।
শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়। এই ফলাফলের ফলে গ্রুপ ‘জি’-এর সমীকরণ আরও উন্মুক্ত হয়ে গেছে। বেলজিয়াম তাদের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে, আর ইরান খেলবে মিশরের বিপক্ষে।