News update
  • PM, Kazakh Counterpart Agree to Boost Bilateral Ties     |     
  • US-Iran Talks Continue Amid Nuclear Inspection Dispute     |     
  • BSF attempt to push 9 people into Bangladesh foiled: BGB     |     
  • IMF seeks removal of Bank Company Act’s Section 18(A) for loan package     |     
  • High fuel prices fuel surge in Chinese EV sales; charging points lag behind     |     

ঈদের আগেই চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, প্রাথমিকভাবে সুবিধা পাবেন যারা 

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2026-02-20, 10:52am

rgerewrewrw-5bfd35ec29a4d5c849aacd626081b66e1771563138.jpg

ফ্যামিলি কার্ডের নমুনা হাতে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি



আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে নতুন সরকার। পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলটিং) প্রথমে দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় এই সুবিধা চালু হবে। এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই কমিটি গঠন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহদী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সাতটি মন্ত্রণালয়ের সচিব এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

এই কমিটি মূলত ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের একটি উপযুক্ত নকশা বা ডিজাইন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি প্রণয়ন করবে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলা নির্বাচন করে সেখানে এই কার্ড প্রবর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়, নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কর্মসূচিকে এই কার্ডের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, কমিটি তাও পর্যালোচনা করবে। এছাড়া, সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইজের মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে একটি ডিজিটাল এমআইএস প্রণয়নের সুপারিশ করবে এই কমিটি।

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই লক্ষ্য পূরণে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করতে বলা হয়েছে কমিটিকে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কমিটির সভা প্রয়োজন অনুসারে অনুষ্ঠিত হবে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। কমিটি প্রয়োজনে যেকোনো নতুন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা রাখবে।