
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম দুই আসরে ছিল নিলাম পদ্ধতি। এরপর মাঝের আসরগুলোতে ছিল ড্রাফট পদ্ধতি। দীর্ঘদিন পর বিপিএলে আবার চালু হলো নিলাম। রোববার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় ১২তম বিপিএলের নিলাম।
রোববার বিকেলে হোটেল রেডিসন ব্লুতে শুরু হয় নিলামের আনুষ্ঠানিকতা। নিলামে প্রথম নামটি ওঠে নাঈম শেখের। ‘এ’ গ্রেডে থাকা এই ব্যাটারের ভিত্তিমূল্য ছিল ৫০ লাখ টাকা। নিলামে তার প্রতি আগ্রহ ছিল সবার। ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কাড়াকাড়ির এক পর্যায়ে তার দাম ওঠে কোটি টাকা।
গত বিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন নাঈম শেখ। টাইটানস, রংপুর রাইডার্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের চতুর্মুখী লড়াই চলে নিলামে। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় তাকে দলে ভিড়িয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
জাতীয় দলে ছন্দ না পেলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান পান বাঁহাতি এই ক্রিকেটার। বিপিএল দিয়ে আবারও দলে ফেরার সুযোগ ২৬ বছর বয়সি ব্যাটারের সামনে।
নিলাম দ্বিতীয় নামটি ওঠে লিটন দাসের। শনিবার (২৯ নভেম্বর) আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ঝড়ো ফিফটি করেছিলেন এই ওপেনার। আলোচনা হচ্ছিল, নিলামে লিটনকে নিয়েই কাড়াকাড়ি হতে পারে। তবে তাকে নিয়ে খুব একটা কাড়াকাড়ি হয়নি। ৭০ লাখ টাকায় টাইগারদের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ককে দলে ভিড়িয়েছে রংপুর রাইডার্স। বিপিএলের এবারের নিলামে তৃতীয় সর্বোচ্চ দামি ক্রিকেটার লিটন।
নিলামে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামি ক্রিকেটার তাওহীদ হৃদয়। ৯২ লাখ টাকায় তাকে দলে টেনেছে রংপুর রাইডার্স। বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে নিলামের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার দাসুন শানাকা। নিলাম থেকে ৫৫ হাজার ডলারে তাকে দলে টেনেছে ঢাকা ক্যাপিটালস। বাংলাদেশি মুদ্রায় তার দাম ৬৭ লাখ টাকা।