News update
  • Nation Votes Tomorrow in 13th Poll, Referendum     |     
  • Key in your hands, use it wisely: Prof Yunus tells voters     |     
  • Yunus Urges Voters to Shape a ‘New Bangladesh’     |     
  • Bangladesh Polls: Campaign Ends as Voters Weigh Pledges     |     
  • Bangladesh Heads to First Gen Z-Driven Competitive Poll     |     

যেভাবে চলবে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কার্যক্রম

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্যাম্পাস 2026-02-12, 4:45pm

rwr34234-a717fda9828fcdeed4cac27ae521fa771770893104.jpg




রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে সংযুক্ত করে নতুনভাবে গঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়-এর ওয়েবসাইটে গেজেট প্রকাশিত হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ জানিয়েছেন, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশের চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন পাওয়া যায়। অধ্যাদেশের মূল উদ্দেশ্য হলো সংযুক্ত কলেজগুলোতে উচ্চশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা দূর করা।

নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ সংযুক্ত কলেজ হিসেবে পরিচালিত হবে। এই কলেজগুলোর নিজস্ব পরিচয়, অবকাঠামো ও সম্পত্তির অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামোয় থাকছে আচার্য, উপাচার্য, সিনেট, সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিল। আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালন করবেন এবং উপাচার্য নিয়োগ হবে সিনেট মনোনীত প্যানেল থেকে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) শিক্ষাগত ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিদর্শন ও মূল্যায়নের দায়িত্ব রাখবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, আইন ও চারুকলা সহ বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের জন্য পৃথক ‘স্কুল’ থাকবে, প্রতিটির নেতৃত্বে থাকবেন ‘হেড অব স্কুল’। সংযুক্ত কলেজগুলোতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাঠদান, পরীক্ষা ও মূল্যায়ন একযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়সূচি ও কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হবে।

ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা এসএসসি ও এইচএসসি ফল এবং কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার ভিত্তিতে মূল ক্যাম্পাস বা সংযুক্ত কলেজে ভর্তি হতে পারবেন। এছাড়া কলেজগুলোতে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম এবং শিক্ষক উন্নয়ন ও উচ্চতর প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকবে।

অধ্যাদেশে আবাসিক হল, ছাত্র সংসদ নির্বাচন ও সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের সুবিধা চালু করার বিধান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের আগে সাময়িকভাবে কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।