News update
  • A black poa fish sold for 50 thousand     |     
  • PM Calls for Emission Cuts, Boost Carbon Credits     |     
  • Bangladesh to Build Modern Four-Dimensional Force     |     
  • Govt bans PM's image on official banners, billboards     |     
  • PM asks PGR not to distance him from people on security ground     |     

সর্বোচ্চ নেতার শোক অনুষ্ঠানে সামরিক শক্তি বাড়ানোর প্রত্যয় ইরানের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কৌশলগত 2026-07-06, 6:56am

epa_6a4a8fdc1b7d-1783271388-abdec5eea72c86fddd43aaf9f26a587a1783299360.jpg




যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক রক্তক্ষয়ী সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির সামরিক লিগ্যাসি বা উত্তরাধিকারকে সমুন্নত রাখার দৃঢ় শপথ ব্যক্ত করেছে। দেশটির সামরিক শক্তিকে আরও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শীর্ষ এক সেনা কমান্ডার বলেছেন, খামেনির নেতৃত্বই ছিল ইরানের সামরিক আধুনিকায়ন ও প্রতিরোধ ক্ষমতার মূল চালিকাশক্তি। খবর প্রেস টিভির। 

ইরানের ‘আর্মি চিফ অব স্টাফ’ ও সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি কোঅর্ডিনেটর রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়ারি তেহরানে খামেনির শেষকৃত্যে অংশ নেওয়া শোকাহত মানুষের আবাসন কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির সশস্ত্র বাহিনী আজ যে অবস্থানে পৌঁছেছে এবং যত সাফল্য অর্জন করেছে, তার সবটুকুর কৃতিত্ব আয়াতুল্লাহ খামেনির দূরদর্শী নেতৃত্বের।

অ্যাডমিরাল সাইয়ারি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, আজ আমরা যা কিছু অর্জন করেছি তা আমাদের শহীদ সর্বোচ্চ নেতার দিক-নির্দেশনার ফসল। এখন থেকে তার এই পবিত্র রক্তই আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি যোগাবে। আমরা আমাদের শহীদ নেতার রেখে যাওয়া সামরিক উত্তরাধিকার অক্ষরে অক্ষরে এগিয়ে নিয়ে যাব। এই মিশন বা লক্ষ্য পূরণ করাই আমাদের বেঁচে থাকার মূল উদ্দেশ্য।

গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই তেহরানের দপ্তরে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এই নৃশংস গুপ্তহত্যার পর ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, সম্পদ ও ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে নজিরবিহীন পাল্টা জবাব দেয়।

সাম্প্রতিক এই মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের কথা উল্লেখ করে রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়ারি বলেন, শত্রুর চরিত্র ও কৌশল সম্পর্কে আমাদের বোঝাপড়া যত গভীর হচ্ছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতাও তত দ্রুততার সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গত মাসে সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও তেহরানের সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসন বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে যে সর্বোচ্চ নেতার এই হত্যাকাণ্ডকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়া হবে না। ইরানের শীর্ষ কর্তৃপক্ষ ও আইআরজিসি ইতোমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে, খামেনির শাহাদাতের চূড়ান্ত এবং মোক্ষম জবাব সঠিক সময়ে দেওয়া হবে।