News update
  • Rooppur NPP: Rosatom installs automated control system at Unit-1     |     
  • Mount Everest season opens late, despite huge ice block, high travel costs     |     
  • 2 more children die with measles-like symptoms in Sylhet     |     
  • Dhaka again ranks world’s most polluted city Friday morning     |     
  • Speed up nationality verification for ‘illegal’ migrants: Delhi     |     

আসছে বলয়াকার সূর্যগ্রহণ: কোথায় দেখা যাবে, কোথায় যাবে না

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক আবহাওয়া 2026-02-12, 4:41pm

ter43534-fc3abfa8bea9929ae847717d244affd41770892911.jpg




ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি আকাশে ঘটতে যাচ্ছে এক বিরল মহাজাগতিক ঘটনা বলয়াকার সূর্যগ্রহণ, যা অনেকের কাছে ‘রিং অব ফায়ার’ বা আগুনের বলয় নামে পরিচিত। তবে বাংলাদেশ ও ভারতের আকাশ থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ভাষায়, বলয়াকার সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে অবস্থান নেয়, কিন্তু সে সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে তুলনামূলক দূরে থাকে। ফলে চাঁদ পুরো সূর্যকে ঢাকতে পারে না। সূর্যের চারপাশে উজ্জ্বল আগুনের বলয়ের মতো একটি অংশ দৃশ্যমান থাকে। এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্যকেই বলা হয় ‘রিং অব ফায়ার’।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, গ্রহণটি হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক সময় (ইউটিসি) অনুযায়ী গ্রহণ শুরু হবে সকাল ৭টা ১ মিনিটে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী তা শুরু হবে দুপুর ১টা ১ মিনিটে। বলয়াকার অংশটি সর্বোচ্চ প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হতে পারে। তবে এই দৃশ্য দেখা যাবে পৃথিবীর খুব সীমিত কিছু অঞ্চলে।

এবারের বলয়াকার সূর্যগ্রহণ মূলত অ্যান্টার্কটিকার কিছু দুর্গম এলাকা থেকে দেখা যাবে। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটি দেশ ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশে আংশিক গ্রহণ দৃশ্যমান হতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো, যেমন বাংলাদেশ ও ভারত, এই গ্রহণের পর্যবেক্ষণ এলাকার বাইরে থাকবে। ফলে এ অঞ্চলের মানুষ সরাসরি এই মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন না।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, সূর্যগ্রহণ দেখার সময় চোখের সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা গ্রহণ দেখতে পারবেন, তাদের অবশ্যই আইএসও ১২৩১২-২ মানসম্পন্ন অনুমোদিত সূর্যগ্রহণ চশমা ব্যবহার করতে হবে। খালি চোখে কিংবা সাধারণ চশমা পরে সূর্যের দিকে তাকানো বিপজ্জনক এবং এতে চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।